সিরিয়ায় কী হচ্ছে; এ’ক্ষমতাবদলের অর্থ-তাতপর্য


সিরিয়ায় কী হচ্ছে; এ’ক্ষমতাবদলের অর্থ-তাতপর্য
গৌতম দাস
১১ ডিসেম্বর ২০২৪  রাত ০৯ঃ ৩৮
https://wp.me/p1sCvy-61c

 

মস্কোয় সিরিয়ার দূতাবাসে উড়ল বিরোধীদের পতাকা

[সিরিয়ায় কী হচ্ছে; এ’ক্ষমতাবদলের অর্থ-তাতপর্য। এই লেখা অবশ্যই এক প্রাথমিক বুঝাপড়া থেকে। এতক্ষণ পর্যন্ত যতটুকু পর্দা উন্মোচিত হয়েছে; যার বেশির ভাহটাই ঘটে গেছে পর্দার অন্তরালে। যেখানে অতি অবশ্যই বাইডেন-পুতিন এর বুঝাপড়া আছে। সাথে কিছুটা  বলা বাহুল্য  বাইডেন-নেতানেহায়ু এরাও আছেন। গোলান-হাইট দখল এর ইঙ্গিত। 
এক্ষণ এর সাথে কী ইউক্রেন-ও একই ডিলের অংশ!  এরকম একটা ভাষ্য ভেসে বেড়াচ্ছে যে ট্রাম্প বলছেন সিরিয়ার পর তাহলে ইউক্রেন ইস্যুও দ্রুত সামনে আনা উচিত! আমার অনুমান এমন অনেক কিছুই এখনও হিডেন বা পর্দার আরালেই রয়ে আছে বা রাখা আছে। তবে একটা মূলসুত্র বলে দেই যে কীভাবে দেখতে হবে এই অর্থে, আগামি ২০ জানুয়ারি ২০২৫ ট্রাম্পের ক্ষমতা আরোহনের শপথের দিন। এর আগে পর্যন্ত বাইডেন এমন অনেক কিছুই করে নিবেন। যার মধ্যে কতগুলো থাকবে ট্রাম্প প্রশাসনকে বিপদে ফেলে দিয়ে যাবার জন্য। আবার কতগুলো থাকবে বাই পার্টিজান মানে আমেরিকান সংসদগুলোর দুপার্টির মিলিত সিদ্ধান্তে নেয়া যা বাস্তবায়িত করে দিয়ে যাবেন এখনও যে আছেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন!]

 

সিরিয়ায় কী হচ্ছে, কী চলছে এনিয়ে একটা বাংলাদেশের উদাহরণ মনে পড়ল। ঘটনাটা হল বাংলাদেশে এরশাদের পতন বাসার আসাদের পতন এর সাথে এরশাদের পতনের অনেক মিল আছে।   আচ্ছা, এরশাদের পতন কবে হয়েছিল?
এটা শুনলে আমাদেরকে পুরান কাগজপত্র ওয়েবে বা কাগজের গাট্টিতে খুঁজতে বসতে হবে।  তারিখ হিসাবে সেটা হল, ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর। সেকালের মিডিয়া বলতে (মূলত ইত্তেফাক আর সংবাদ; এর বাইরে ইনকিলাব এসেছে কেবল আর ওদিকে দৈনিক খবর ছিল এরশাদের হাত ধরে তবে সবই মূলত খুচরা প্রপাগান্ডা পত্রিকা)। আর টিভি বলতে একমাত্র বিটিভি। ওয়েব বা নেট বলতে কী বুঝায় আমরা তখনও কেউ জানিই না, চিনতাম না।  সম্ভবত আমরা ছুটছিলাম ৬ ডিসেম্বর সকালে প্রেসক্লাব-পল্টনের দিকে, কারণ খবর যা কিছুই ঘটে বা হয় তা ওখানেই। যেন আমাদের কথিত “বিপ্লবের স্কয়ার”! আমিও বাসা থেকে রওনা দিয়েছিলাম। যদিও বাসা ভর্তি আমরা সকাল থেকেই কথা শুনেও নিশ্চিত বিশ্বাস করছিলাম না।
এর আগে (ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের না), বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সম্মীলিত সবচেয়ে বড় আন্দোলন হয়ে গেছিল সেটাই ছিল “১০ নভেম্বর ১৯৮৭ ঢাকা ঘেরাও”। যে  কর্মসুচিতে গ্রেফতার হয়ে আমি ছয় মাস ডিটেনশনে জেল খেটেছিলাম। বের হয়ে (১০ মে ১৯৮৮) দেখি পুরা রাজনৈতিক পরিস্থিতি এরশাদের নিয়ন্ত্রণে।  ফলে এরশাদ বিরোধীদলকে কোন পাত্তাই না দিয়ে আর বিরোধীদল ঘরে বউ-বাচ্চা নিয়ে সবাই শান্তিতে এই ছিল পরিস্থিতি।  আর সেরকমই বজায় ছিল ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরেও।
তাহলে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদের পতন হল কী করে। সেদিন বা আশেপাশের সময়ে বিরোধীদলের কোন ঘরোয়া সভাও ডাকা ছিল না। তাহলে? কার হুমকি-তে এরশাদের পতন ঘটেছিল? এখনও কেউ বলতে পারবে? একেবারেই হাতে গোনা দু-একজন ছাড়া?

আর ঠিক একই রকম প্রশ্ন  ঘটনা হল সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদের বেলায়। আসাদের পতন হল কেন? কে করলো? ঠিক কোন ঘটনাটা এখানে স্পার্ক করলো, আগুন টা লাগলো? কোন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়াতেও এর সমন্বিত কোন ব্যাখ্যা নাই। ঘটনাটা ঘটে যাবার পরে রাজধানীর দিকে সশস্ত্র কোন গ্রুপ কারা এগিয়ে আসছ্বে এসে কী করছে – এগুলোই নিউজ। আর সাথে আছে ওদের আয়নাঘরগুলো কেমন ও কোথায় কোথায় ছিল এগুলোকেই প্রধান করে নিয়ে খবর বিক্রি!
ঠিক যেমন এরশাদের পতনের পরে বিজয়নগর নাংটিঙ্গেল রেস্তোরা সহ কী কী ভাঙ্গা হয়েছিল সেই বীরত্বগাথা গল্য়প নিয়ে মিডিয়ায় হৈ চৈ মাতম!
সাম্প্রতিকালের কালে বাসারের বিরুদ্ধে বড় কোন চোখপড়ার মত বিদ্রোহি সশস্ত্র যুদ্ধের কথা জানা যায় না। যা ছিল তা সবই নিয়মিত হয়ে পড়েছিল যা। গত ২০১১ সালের মার্চ থেকে সিরিয়ার অভ্যন্তরে চারদিকেই অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ায় এক গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে থাকা দেশ ছিল। প্রতিটা পড়শি বর্ডারে অসংখ্য বিভক্তিতে ছোট ছোট সশস্ত্র গ্রুপ একে অপরের বিরুদ্ধে – পড়শি দেশের সমর্থনে আর বিপক্ষে। আর আসাদ কেবল রাজধানী দামাসকাসে সামলে সেখানে ক্ষমতায়, মোটাদাগে এই ছিল চিত্র।
তাহলে আসাদ কেন দেশত্যাগ করে উড়াল দিলেন???

এখানেই এরশাদের সাথে আসাদের গভীর মিলঃ
এরশাদের পতন ঘটেছিল আমাদের আভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংঘাতের কারনে একেবারেই নয়! বাইরের বা গ্লোবাল রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে ঘটনায় – শিরোনামে বললে, ইরাকের প্রেসিডেন্টের সাদ্দামের কারণে। যদিও সাদ্দামের সাথে এরশাদ সাদাচোখে কোনভাবেই সম্পর্কিত নয়! তবু এটা ঘটেছিল।
সাদ্দাম ১৯৯০ সালের ২ আগষ্টে পড়শি দেশ কুয়েত দখল করে নিয়েছিল। বোকা কমিউনিস্টদের মতনই। যেমন বাংলাদেশের অনেক কমিউনিস্টো আছে যে মনে করে ওয়ার অন টেররে আমলে নির্বাচিত সরকারের সাথে যদি সশস্ত্র ইসলামি গ্রুপকে মিলিয়ে দিয়ে ততপরতায় নামিয়ে দেয়া যায় তাহলে সেটা নাকি বাংলাদেশে আমেরিকাবিরোধী (তাদের ভাষায় সাম্রাজ্যবাদবিরোধী) একটা হেব্বি কাজ হবে সেটা!  আসলে জাতিসংঘ বা গ্লোবাল রাজনৈতিক সিস্টেম ব্যবস্থা টা সম্পর্কে কোনই ধারণা না থাকলে যা হয় এখানে তাই হয়েছে। এরা সত্যি একেবারেই জানে না এই গ্লোবাল ব্যবস্থাটা কী? এটা কী কী পারে আর কী এর সীমাবদ্ধতা! ইদানিং অনেক ময়ুখ নামের ইন্ডিয়ান লোক এমন সাদ্দাম হতে চাচ্ছে – চট্টগ্রাম দখল করে নিবে – খায়েশ করেছে কারণ, এটা ইন্ডিয়ার নাকি দরকার তাই!
এরা (কমিউনিস্ট এন্ড গং) এখনও জানে না এরপর সাদ্দামের কী হয়েছিল? পতন হল কেন? কোন সুবিধাটা আমেরিকা নিয়েছিল……!
কুয়েত দখলের পরের ঘটনা-সংক্ষেপ হল, জাতিসংঘ এই দখলকে কঠোরভাবে নিন্দা করে প্রস্তাব এনেছিল। আর তাতে প্রবলভাবে ভোট দিয়েছিল বিশেষ করে ছোট দেশগুলো। কারণ তারা ছোট বলে কুয়েতের মধ্যে নিজ নিজ দেশ ও ভাগ্যকে দেখে ফেলেছিল। জাতিসংঘের সদস্য দেশের দখল বা স্বীকৃত ম্যাপ চেঞ্জ করা যায় না এটা অনেকেই জানে না। মনে করে সবকিছুরই প্রধান নির্ণায়ক নিজ নিজ সামরিক শক্তি! আবার জাতিসংঘের এই নিন্দার মানে কিন্তু এই নয় যে এর ফলে কুয়েতের বাদশাদের কুয়েত ফেরত পেয়ে যাওয়া অবশ্যইনা! তাহলে এই নিন্দার গুরুত্ব কী, লাভালাভ কী? মনে রাখতে হবে তখনও সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যায় নাই অথবা সেটা ওয়ার অন টেররের আমল বা ওর প্রথম যুগ (২০০১-১৪) নয়। ফলে গ্লোবাল ভারসাম্য সোভিয়েত-আমেরিকা ব্লকে বিভক্ত আর ইরাক সোভিয়েত ব্লকে।

জাতিসংঘের কোন নিন্দাতে কুয়েত তখনই দখলমুক্ত হয়ে যায় নাই। কিন্তু  এতে এমন একটা পরিস্থতি তৈরি হয়ে যায় যে কোন পরাশক্তি দেশ আমেরিকা লিড নিয়ে ইরাকের সাদ্দামের বিরুদ্ধে দাঁড়ালে  সাদ্দদামের পিছন হটা ঘটতে বাধ্য হয়ে যায়। এর একেবারে মূল কারণ, সাদ্দামের নৈতিকভাবে জাতিসংঘের আসরে হেরে যাওয়া!  বাস্তবে তাই ঘটেছিল, আমেরিকা ইরাকের উপর নো-ফ্লাই জোন ঘোষণা [মানে হল ওদেশের যতই সামরিক-বিমানের সক্ষমতা থাকুক একটা হেলিকপ্টার উড়লেও তা আমেরিকার বোমা খেয়ে লুটায়ে পড়বে এই শর্ত, চাপ বা হুমকি আরোপ।] আরোপ করেছিল কোন ব্লক এর বিরোধিতা করতে আগায় আসে নাই।  পরের বছর ফেব্রুয়ারিতে কুয়েত মুক্ত স্বাধীন হয় আবার।
কিন্তু আমাদের প্রসঙ্গে আসি। সাদ্দামের কুয়েত দখলের সাথে শাসক এরশাদের সম্পর্ক হল, ঐ দখলের কারণে তেলের দাম ডাবল হয়ে যায়। আর এতে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক আঘাতে গরীব-বড়লোক নির্বিশেষে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিল আর স্বভাবতই কোন দেশের সব ক্ষোভ নিশ্চিতভাবে শাসকের বিরুদ্ধে যাবে, যায়।
আর প্রগতিশীল প্রভাবিত রাজনীতি ও দল এই ক্ষোভকে দেশে দেশে আমেরিকার বিরুদ্ধে পরিচালিত করে দেওয়াতে আমেরিকার টনক নড়ে। তারা আমাদের মত সব দেশে বিশেষ কূটনীতিক প্রতিনিধি পাঠিয়েছিল। তিনি ঢাকায় এসে আবিস্কার করেন নয়বছর এরশাদ ক্ষমতায় একছত্র ওদিকে বিরোধিরা সংসদেও নাই।  কাজেই আমেরিকান স্বার্থ হয়ে উঠে এরশাদকে বিদায় করে খোলা নির্বাচনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দিকে চলে যাওয়া; আর আর্মিকেও এরশাদের হাত-নিয়ন্ত্রণের বাইরে নেওয়া যাতে তিনি নিজ রাজনৈতিক শাসনক্ষমতায় একে আর ব্যবহার না করতে পারেন। আর আমেরিকা সেটা বাস্তবায়ন করেছিল নুরুদ্দিনের নেতৃত্বের  আর্মিকে (এরশাদের নিয়ন্ত্রণ-নেতৃত্বে আর নয়) নিয়ে যাওয়া আর তাদেরকে জাতিসংঘ মিশনে পাঠানোর লোভ দেখিয়ে। সেই থেকে শুরু হয়েছিল আমাদের আর্মির জাতিসংঘ মিশন; প্রথম মিশন ছিল – কুয়েত মিশন ১৯৯১!   আর এরশাদ??? তিনি আর কারও কোন কাজে লাগে এমন কেউ রইলেন না!  মূলত পর্দার অন্তরালের এসব ঘটনার কারণেই ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদের ক্ষমতাচ্যুত-পদত্যাগ ঘটেছিল। এর চেয়েও বড় চিহ্ন হল, তখন মানে, ১৯৮৮ মে মাসের পর থেকে ১৯৯০ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজনৈতিক পাড়া একেবারে নিশ্চুপ ছিল তা সত্বেও বিনা মেঘে বজ্রপাতের মত আশেপাশে কোন রাজনৈতিক দল বা জোটের কোনই কর্মসুচী না থাকা সত্বেও হঠাত ছয় ডিসেম্বর সকালে এরশাদের পদত্যাগের খবর ভেসে উঠেছিল। মূল কারণ, তেলের দামের কারণে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ যেন প্রবল আমেরিকাবিরোধী না হয়ে উঠে (বিরোধিরা যার সুবিধা নিয়ে ফেলতে পারে) তাই আমেরিকা আমাদেরকে বিনা আন্দোলনেই এরশাদের পতন ঘটিয়ে দিয়েছিল।

তাহলে সিরিয়া প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ হঠাত উড়াল দিলেন পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে যেখানে মাঠে বড় কোন সশস্ত্রতা বা কোন মুভমেন্ট ক্রিয়াশীল নাই তখন আসাদ এমন করলেন কেন?
অর্থাৎ পর্দার অন্যরালের আয়োজনে এরেঞ্জমেন্ট যখন ঘটে তখন এরশাদ বা আসাদের এভাবেই পদত্যাগ করে থাকে! এর আরেক বড় লক্ষণ হল – শান্তিপুর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর!

তাই সিদ্ধান্তগুলো দেখেন শিরোনাম আকারেঃ
১। আসাদেরই নিজ নিয়োজিত প্রধানমন্ত্রীই ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন।
২। শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে যারা এদেরকে বলা হচ্ছে বিদ্রোহি কোয়ালিশন এইচ-টি-এস [The main rebel coalition is led by Hayat Tahrir al-Sham.]
৩। এটা খুবই মজার না যে আপনি দলেবলে সশস্ত্র হলে একটা রাজধানী শহরে ঢুকছেন বিনা বাধা-প্রতিরোধে; শুধু তাই না উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী আপনাকে ক্ষমতা হস্তান্তরে তৈরি হয়ে অপেক্ষায়।.
৪। এবার মিলিয়ে দেখেন ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ আমরাও প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তায় বসে বাদাম চিবাতে চিবাতে এরশাদের গুষ্ঠি-উদ্ধার করে শ্লোগান দিলাম আর পরে শুনতেছি এটাই নাকি ছিল “এরশাদবিরোধী নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান” মজা না!!
৫। ছাত্র জনতার নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান  এই যে বিনা মেঘের নয়া নামকরণ হয়েছিল আমাদের বেলায়, সেটাই কী সিরিয়ার বেলায় বিদ্রোহি কোয়ালিশন এইচ-টি-এস!!! এই নামকরণ!
৬। আমি মনে করি সবচেয়ে তাতপর্যপুর্ণ চিহ্ন হল, পুতিনের রাশিয়ার মানে রাশিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভ [sergey lavrov] এর সহযোগিতা।  ১। প্রথম ঘোষণা আসাদ নিজ প্লেন উড়ায়ে দেশত্যাগ করে অজানা গন্তব্যে রওনা দিয়েছে। ২। ৭-৮ ঘন্টা পরে লাভরভ জানাচ্ছেন আসাদ রাশিয়ার আশ্রয় নিয়েছেন।
৭। এই  বিদ্রোহি কোয়ালিশন এইচ-টি-এস [এর মধ্যকার সবচেয়ে বড় গোষ্ঠি যেটা  তারা রাশিয়ার মস্কোতে অফিসে দলীয় পতাকা উড়াচ্ছেন।  এই ঘটনা এটা সবচেয়ে তাতপর্যময় ও ইঙ্গিতপুর্ণ।
৮। এটা ফরমাল বক্তব্যঃ  “রাশিয়া সব সময় সিরিয়া সঙ্কটের রাজনৈতিক সমাধানের পক্ষে ছিল এবং জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে”।

[এই হল, মোটা দাগে ঘটনাবলীকে আমি যেভাবে দেখছি।
এছারা আরও কিছু বাড়তি অংশ বা বাড়তি প্রসঙ্গ এতে যোগ করব। সেটা আজ রাতেই নয়ত কাল সকালে, ঘোষণা দিয়ে সবাইকে তা জানানো হবে। আপাতত এতটুকুই এই পর্বে!]

 

গৌতম দাস, রাজনৈতিক বিশ্লেষক
goutamdas1958@hotmail.com

আপডেটঃ   রাত ১০ঃ ৪৯   ১১  ডিসেম্বর  ২০২৪
শেষ আপডেটঃ   ডিসেম্বর  ২০২৪

 

 

 

Leave a comment