ইউনুস সাব কী রয়টার্স-কে শেষ ওয়ার্নিং-টা দিবেন?


ইউনুস সাব কী রয়টার্স-কে শেষ ওয়ার্নিং-টা দিবেন?
গৌতম দাস
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫    দুপুর ১৩ঃ ০৪
https://wp.me/p1sCvy-6iV

 

রয়টার্স আবার অসহ্য হয়ে উঠেছে। গতকাল আদানির বিদ্যুৎ নিয়ে রিপোর্ট ছেপেছে রয়টার্স – রুমা পালের কায়দায়।

Exclusive: Bangladesh seeks full power supply restoration from Adani plant

পাঠক জানেন, আদানির যেকোন প্রকল্প মানেই তা মোদির বকলমের দোস্ত ভারতের এক বিলিয়নিয়ার গৌতম আদানিকে সুযোগ সুবিধা দিয়ে ব্যবসা করানো যাতে সে বিজেপি দল চালানোর খরচের যোগানদাতা হন এই আদানি।  তবু ঘটনা টা এখনেই থেমে থাকে নাই। আদানির বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে হাসিবার বাংলাদেশকে খাতক বানিয়ে লুটে নিবার প্রকল্প এক্সটেন্ট করা হয়েছে। যাতে বিজেপি-আওয়ামী লীগ দল দুটা আর লীগ নেতাদের লুটপাটের অর্থ এখান থেকে আসে – মানে বাংলাদেশের জনগণের অর্থ লুট করা যায় বিদ্যুৎ কেনাকে কেন্দ্র করে। বিদ্যুৎ মানেই কোন বিদ্যুৎ না দিয়েই ক্যাপাসিটি চার্জের নামে খাড়া লুটপাট। এক্ষেত্রে এর উপর আছে বাজার দরের চেয়ে ৫৫% বেশি রেট […”Adani’s power costs Bangladesh about 55% more than the average of all Indian power sold to Dhaka… Reuters ] ধরা আছে আদানি বিদ্যুতের ক্ষেত্রে. আরো আছে  – দিল্লি মানে মোদি সরকার ট্যাক্স ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশে এই বিদ্যুৎ বিক্রির প্রকল্পে। অথচ সেই সুবিধা আমাদেরকে না দিয়ে আদানি নিয়ে চলেছে […Bangladesh’s interim government accused Adani of breaching the power-purchase agreement by withholding tax benefits that the Jharkhand plant received from New Delhi…… ] ।  তাই বাংলাদেশের হাইকোর্ট চলতি অন্তর্বর্তি সরকারকে আদেশ দিয়েছে এই প্রকল্পকে এক্সপার্টদের নিয়ে মূল্যায়ন করে ঐ চুক্তি সম্পর্কে রিপোর্ট দিয়ে যাতে এই চুক্তি থেকে বের হওয়া যায় আর বাংলাদেশের কারা কিভাবে এই চুক্তি করেছে তা উন্মোচিত করা যায়।

এই নির্দেশ  নিয়ে সরকারের কাজ চলছে।
আর এদিকে যতটা সম্ভব আদানি বিদ্যুৎ কম কিনে (অন্য সোর্স খুজে নিয়ে) চলতে পারা যায় এটাই গত কয়েক মাসে ইউনুসের বিদ্যুৎ উপদেষ্টা গৃহিত পলিসি। যাতে অন্তত ৫৫% সহ আর যত বাড়তি মূল্য বাংলাদেশের জনগণকে গুনতে হয় তা যত কম করে রাখা যায়। অন্তত চুক্তিটা এমনভাবে লেখা যে সহজেই কোন কৌশল পুর্ব-প্রস্তুতি স্টাডি না করে এচুক্তি বাতিল করলে উলটা ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে। এনিয়ে কাজ চলছে। এতে আদানির বিদ্যুৎ প্রকল্প অর্ধেক কাপাসিটি বন্ধ করে রাখা ছিল এতদিন।  তবু আবার চলতি ইউনুস সরকারের উপর বকেয়া এক বিরাট দায় হয়ে চেপে বসেই আছে। কারণ, তথাকথিত ক্যাপাসিটি চার্জ সহ জমে থাকা কোন  বকেয়াই হাসিনা সরকার শোধ করে নাই।

ইতোমধ্যেই, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ ঘাটতিতে আছে যেতা শীওকাল বলে ততটা মারাত্মক হয়ে পাবলিক লেবেলে অনুভুত হয় নাই। কিন্তু সামনে গ্রীষ্মের কাল গরমে বিদ্যুৎ চাহিদা আরো প্রকট হবে। ইউনুস সরকারের ইচ্ছা রমজান মাসটায় আম-মানুষকে পণ্যমুল্যে যতটা সম্ভব স্বস্তি দেয়া ও প্রাপ্যতা বাড়ানো।  তাই অর্ধেক হয়ে থাকা আদানি বিদ্যুৎ ক্রয় সাময়িক (সম্ভবত তিনমাসের জন্য যেটা আবার স্পষ্ট করে উল্লেখও করা হয় নাই) বাড়ানোর জন্য  ইউনুস সরকার আদানি প্রকল্পকে জানিয়েছে।

আর এটা নিয়েই শুরু হয়েছে রয়টার্স প্রপাগান্ডা। সাথে যোগ দিয়েছে প্রথম আলো, এমনকি এনটিভি সহ আরো অনেকে।
আর প্রপাগান্দাটা হল যেন বলতে চায় এরা যে ১.  “দেখেছো, হাসিনার আদানি চুক্তি করা সঠিক ছিল!!”  ২. ইন্ডিয়া ছাড়া, বা তারা দয়া না করলে বাংলাদেশের গতি নাই। ৩.  সারকথায় হাসিনার ফ্যাসিজম ঠিক আছে, জাষ্টিফায়েড।

যদিও এসব কথা তারা সরাসরি না লিখে খবর প্রেজেন্টেশনটা করা হয়েছে সেভাবে। যেমন রয়টার্স বুঝাই যায়, আদানি প্রকল্পের কাছে থেকে বাংলাদেশের চিঠিটা দেখে নিয়েছে। এরপর তারা কথা বলতে চেয়ে প্রশ্ন পাঠিয়েছে বাংলাদেশের পিডিবি এর প্রধানের কাছে। তিনি যতটা সম্ভব জবাব দিয়েছেন কিন্তু,  কেন বিদ্যুৎ ক্রয় বাড়াতে চাইছেন অথবা আদানি-বাংলাদেশ বিরোধ কী এতে মিটে গেল – এজাতীয় রয়টার্সের প্রশ্নের কোন জবাব দেন নাই; এড়িয়ে গেছেন।
এটাই কী স্বাভাবিক নয়? কেন ইউনুস সরকার তার আদানি বিদ্যুৎ ক্রয় পলিসি যে কাউকে দিয়ে বলাতে দিবে অথবা দিবে না?

আর বিপরীতে এখন এই পরিস্থিতিতে জবাব না দেওয়াতে যে – বেনিফিট অব ডাউট পেতে পারেন পিডিবি প্রধান – সেটা না দিয়ে রয়টার্স ইউনুসের বাংলাদেশ   হার মেনে গেছে বা আদানিকে মেনে নিয়েছে এমন ইঙ্গিত তৈরি করেছে। যেই রয়টার্সের নিরপেক্ষতা হারানো বা এতে এখান থেকেই অবজেক্টটিভ রিপোর্টার বা রিপোর্টং টা উধাও হয়ে গেছে।
রয়টার্সের বলা উচিত ছিল যেখানে যে আবার বাংলাদেশ – বিদ্যুৎ ক্রয় বাড়াতে চাইছে – কেন? সেটা এখনই জানা যায় নাই। এতটুকু বক্তব্যই যথেষ্ট নিরপেক্ষ হতে পারত। কিন্তু তা অনুপস্থিত!

আর এই রিপোর্টের অনুবাদ ছেপেছে প্রথম আলো ।  যদিও এই রিপোর্ট নিজেই লিখছে,…… “(বাংলাদেশ হাইকোর্টের আদেশে) ওই কমিটির প্রতিবেদন এ মাসে সামনে আসতে পারে। তখন আদানির সঙ্গে চুক্তিটি নিয়ে আবার আলোচনা শুরু হতে পারে বলে জানায় রয়টার্স”। তাহলে বাংলাদেশের পিডিবি এর প্রধানের কেন আবার বিদ্যুত কেনা বাড়াতে চাইছে এনিয়ে জল্পনা-কল্পনা ছড়ানোর তো কোন সুযোগই নাই!!!! যেখানে এটাই তো প্রমাণ কোর্টের নিদ্দেশের কাজ-ততপরতাও সমানে চলছে। যার সোজা মানে এই বিদ্যুৎ ক্রয় এক সাময়িক ব্যবস্থা। আর যতদিন আদানি সাথে চুক্তি বাতিল না হচ্ছে ততদিন বাংলাদেশের বিদ্যুৎ কেনা কমাতে-বাড়াতে কোন আইনি বাধা তো নাই! তাহলে???

এসব কথা এখানে তোলার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ইন্ডিয়ান-রয়টার্স যে ইন্ডিয়ান সরকার ও (র-এর) অধীনস্ত ততপরতা করে এরই প্রমাণ! সেজন্যই কী এটা ইন্ডিয়ান-রয়টার্সের এক্সক্লুসিভ [exclusive]? মানে র-এর সাথে ইন্ডিয়ান-রয়টার্সের এক্সক্লুসিভ সম্পর্কের রিপোর্ট???

কোন সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার অধীনে থেকে কী জার্নালিজম করা সম্ভবঃ
হা, এটা এক অদ্ভুত জার্নালিজম; ইন্ডিয়ান সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার অধীনে থাকা এক জার্নালিজম এটা। তাও আবার রয়টার্সের মত এক গ্লোবাল নিউজ এজেন্সীর!  জার্নালিজমের কোন সংজ্ঞাতেই কোন সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার অধীনে থেকে সেটা আর জার্নালিজম হতেই পারে না! হা, এটাই রুমা পাল মার্কা জার্নালিজম! (র-এর) ছাপ মারা মার্কা জার্নালিজম!

কবে থেকে এটা এমনঃ
রয়টার্স [REUTERS] সারা দুনিয়ায় গ্লোবাল নিউজ এজেন্সীগুলো মধ্যে অন্যতম বিশ্বাসযোগ্য প্রতিষ্ঠানঅগুলোর মধ্যে একটা। কিন্তু সেটা ইন্ডিয়ান-রয়টার্সকে বাদ দিয়ে বলতে ও বুঝতে হবে!  তারা গ্লোবাল পরিসরে একটা স্টান্ডার্ড মেনে চলার চেষ্টা করে। কিন্তু দুঃখের কথা এটা ততধিক পতিত একটা নিউজ এজেন্সি যখন ও যেসব নিউজের এডিটিং ও এডিটিং ইন্ডিয়ান-রয়টার্স থেকে পরিচালিত হয়। আপনারা অনেকেই তাদের  রুমা পাল [RUMA PAUL] নামে এক রিপোর্টারকে একালে চিনেছেন, কথা শুনেছেন।  যে যেন এক র-এর কর্মচারী – এভাবে  কাজ-ততপরতায় লিপ্ত।
যদিও যারা রুমা পাল-কে তার ততপরতাকে চিনে তারা জানে বাংলাদেশের সেই (২০২০) করোনা টিকা কেনার সময় থেকে। যখন তিনি মিথ্যা রিপোর্ট করেছিলেন।

“চীন প্রথমে নাকি বিনা পয়সায় টিকা দিতে চেয়েও পরে অর্থ দাবি করাতে হাসিনার (বেক্সিমকোর  দরবেশকে সামনে দেখায়ে ৪০০ মিলিয়ন ডলারে) চীনকে ত্যাগ করে ইন্ডিয়ান টিকা কিনতে চাওয়া ঘটেছিল” –  এটা রুমার দাবি।  যদিও ঘটনাটা উলটা! র-এর পাল্লায় পরে হাসিনা দরবেশকে দিয়ে ঐ ৪০০ মিলিয়ন ডলারের ব্যবসার লোভে (বাইরে দেখানো হয়েছিল ব্যক্তি দরবেশ ইন্ডিয়া থেকে টিকা কিনে বাংলাদেশ সরকারকে তা বিক্রি করবে; অথচ হাসিনাই দেশের ব্যাংক থেকে ঐ ৪০০ মিলিয়ন ডলার যোগাড় করিয়ে দিয়েছিল) তখন বিনা পয়সার চীনা টিকা কিনপ্তে ছুটেছিল। ইন্ডিয়া বা (-র-) ভেবেছিল এতে চীন-হাসিনা সখ্যতায় ছেদ ঘটিয়ে ফেলবে; হাসিনাও ৪০০ মিলিয়ন ডলার এর লোভে ইন্ডিয়ার পরিকল্পনায় পা দিবে। শেষ কপাল খারাপ রুমা, র-এর কর্তাদের আর খোদ হাসিনার যে ইন্ডিয়া টিকা সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছিল। আর হাসিনাকে তখন পাগলের মত চীনের কাছেই ফিরে গিয়ে হাত-পা ধরে নতুন চুক্তিতে (চীনকে স্ট্রাটেজিক সুবিধা দিবার বিনিময়ে) টিকা পেতে হয়েছিল।

সারকথায়, রুমা পাল হল সেই এলিমেন্ট যে আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বরাতে মিথ্যা রিপোর্ট ছাপিয়ে  র-এর পরিকল্পনার অংশ হয়েছিল।

কিন্তু কেন এমন হচ্ছেঃ
কেন রয়টার্সের মত গ্লোবাল নিউজ এজেন্সী ইন্ডিয়াতে এসে কেন এমন বদনাম কামাতে হয়?

অনেকের কাছে ব্যাপারটা মিলে না বা রহস্যজনক মনে হতে পারে! কিন্তু আসলে ব্যাপারটা একেবারেই সোজা! পশ্চিমা হোয়াইট স্টাফের তুলনায় ইন্ডিয়ান স্টাফ কম পয়সায় ম্যানেজমেন্ট স্টাফ বা কর্মচারি কেনা যায়, রিক্রুট করা যায়।  সময় একজন হোয়াইট ককেশীয় স্টাফের তুলনায় ইন্ডিয়ান স্টাফ ১০ঃ১ অনুপাত কমে রিক্রুট করা যায়। তাই রয়টার্স বোর্ড-মালিক ম্যানেজমেন্ট প্রাইমারি রিপোর্টার সব ইন্ডিয়ান; মানে ফিল্ড রিপোর্টার যেই হোক যে দেশেরই ঘটনা হোক না কেন এটা ইন্ডিয়ার হায়দ্রাবাদের-রয়টার্সের অফিসে বসে তা সংকলন করে দেয় ইন্ডিয়ান স্টাফ। পরে সে মেলে এডিটিং এর জন্য কোন পশ্চিমা-রয়টার্সের অফিসে পাঠিয়ে দেয়। আর সেই অফিস থেকেই এডিটিং শেষে সেটা রয়টার্সের সার্ভারে আপলোড হয়।  এটা আপনিও বুঝতে পারবেন যদি আপনি রয়টার্সের যেকোন রিপোর্টের শেষে কোন কোন ব্যক্তি এতে কাজ করেছে জড়িত ছিল এই অংশটা স্টাডি করেন। রয়টার্স যে টা মেনটেইন করে তাহল যে কোন রিপোর্টের শেষে সংশ্লিষ্টদের সবার পরিচয় উন্মুক্ত করে সেখানে (মাস্ট) দিয়ে রাখে তবে তাদের ফরম্যাটে।

Reporting by Krishna N. Das in New Delhi; Editing by Jacqueline Wong and Sonali Paul

উপরের এই স্টাইলটা মনে রাখতে পারেন।

কেন রয়টার্স (র-এর) শিকারে পরিণত হয়ঃ
উপরে আমরা দেখলাম কেন ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি বা এজেন্সি ইন্ডিউ=ইয়ান স্টাফ নির্ভরশীল হয়ে যেচে। কেন সুন্দর পিচাই [Google CEO Sundar Pichai] গুগলের টপ পোস্টের অধিকারি হয়ে যান!  কিন্তু সেখানেই শেষ না। এর পর শুরু হয়, “র” কিভাবে এখান থেকে সব রস বের করে নেয়!  অর্থাৎ রয়টার্স স্বনামধণ্য গ্লোবাল নিউজ এজেন্সী হলেও ওর স্টাফের এক বিরাট অংশ ইন্ডিয়ান ফলে ইন্ডিয়াতে রয়টার্সের অফিস বেশ বড়
এবার ইন্ডিয়ান সরকার একতা শর্ত আরোপ করে রেখেছে এধরণের অফিস খোলার উপরে  যে নিউজ মিডিয়া বা হিউম্যান রাইটের অফিস ইত্যাদি পশ্চিমা সংস্থা যেই হোক তাকে ইন্ডিয়ায় বসে কোন পাবলিক রিপোর্ট করতে চাইলে তা ন্ডিয়ান সরকারের ফরেন পলিসিবিরোধী বা এর সাথে সাংঘর্ষিক হতে পারবে না। আর সাংঘর্ষিক হবে কিনা তা (এসব বিদেশি প্রতিষ্ঠান) তাদেরকে নিজ উদ্যোগে আগাম ইন্ডিয়ান ফরেন অফিস [MEA, Ministry of external Affairs] থেকে জেনে নিতে হবে। আর এই জেনে নিতে গিয়েই তারা ধরা খায়। তারা ইন্ডিয়ান সরকারের (র-এর) ভাষা, শব্দ ও স্বার্থের ক্যারিয়ার বা বহনকারি হয়েই এই শর্তে রিপোর্ট করতে বাধ্য হয়।
আর এসব বিদেশি প্রতিষ্ঠান ব্যাপারটাকে পজিটিভ বা অনুগত ভাবে দেখতে-করতে মানে, আইন-মানা এক ইন্ডিয়ান-রয়টার্স হিসাবে হাজির হতে চেয়ে এবার ইন্ডিয়ান-রয়টার্স তাদের রুমা পাল নামের স্টাফের জন্ম দেয়।  অথবা আমেরিকান বিরাট ক্ষমতাধর হিউম্যান রাইট ওয়াচ(HRW)  ইন্ডিয়ায় এসে তাদের স্টাফ মীনাক্ষী গাঙ্গুলি র মত (র-এর) দালাল বা বিড়াল এক স্টফের জন্ম দেয়!

ইন্ডিয়ান সরকারের ফরেন পলিসিবিরোধী বা এর সাথে সাংঘর্ষিক রিপোর্টিং যদি নাই করা যায় তবে কোন জার্নালিজম বা কোন স্বাধীন ইউম্যান রাইট রিপোর্ট কী সম্ভব???? 

আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাঃ
ঘটনাচক্রে আমি সরাসরি বহু আগে থেকেই রুমা পালকে নিয়ে রয়টার্সের সাথে কথা বলেছিলাম। পরিস্কার করে জানিয়েছিলাম, আমি অন্য কোন কথা শুনতে চাই না। রয়টার্স বাংলাদেশ কাভার করতে চাইলে তা ইন্ডিয়ান-রয়টার্সের মাধ্যমে বা অধীনস্ততা থেকে বের করে আনুক! এতে হা দেখছি জাতীয় নন-কমিটাল জবাব ছাড়া কোন ফলাফল হয় নাই। এই প্রথম সাবেক এএফপি [AFP] এর শফিকুল আলম বুঝতেছে তারই ভায়রাভাই” রয়টার্স-ইন্ডিয়া আর তার রুমা পাল কী জিনিষ!  এটা এখন একমাত্র কিছু সম্ভব ইউনুস সাহেব যদি হস্তক্ষেপ করেন।  রয়টার্স-কে ডেকে যদি আমাদের আপত্তি ও স্বার্থ মানতে বাধ্য হতে বলেন। নইলে বাংলাদেশের কোন স্থানীয় মিডিয়া রয়টার্সের কোন নিউজ কিনতে / ছাপতে পারবে না বলে নোটিশ জারি করবেন বলে জানিয়ে দিতে পারেন!

এখন সবকিছু ইউনুস সরকারের একশনের উপর নির্ভর করছে। রয়টার্স কে অবশ্যই ইন্ডিয়ার বাইরে থেকে বাংলাদেশ নিয়ে রিপোর্টিংয়ে বাধ্য করতে হবে! 

 

 

লেখকঃ
গৌতম দাস
রাজনৈতিক বিশ্লেষক
goutamdas1958@hotmail.com

আপডেটঃ   ফেব্রুয়ারি  ২০২৫

সর্বশেষ আপডেটঃ  ফেব্রুয়ারি  ২০২৫

4 thoughts on “ইউনুস সাব কী রয়টার্স-কে শেষ ওয়ার্নিং-টা দিবেন?

  1. বরাবরের মতোই, দারুণ লিখছেন গৌতম দা, তবে প্রথম আলোর ন‍্যারেটিভের জায়গাটা পরিষ্কার হলো না। ওরা হয়তোবা রয়টার্সের মতো নির্লজ্জ হয় নাই বা হইতে পারে নাই এই বিষয়টাতে।

    Like

    1. “প্রথম আলোর ন‍্যারেটিভের জায়গাটা পরিষ্কার হলো না।” – এই জায়গাটা ঠিক বুঝি নাই। আপনি আর একটু ভেঙ্গে বললে চেষ্টা করতাম!

      Like

      1. গৌতমদা, সম্ভব হলে আমার ইমেইলে একটা ইমেইল করবেন আপনার ইমেইল থেকে। আমার ইমেইল সম্ভবত আপনি বের করতে পারবেন।

        Like

Leave a comment