আরএসএস-বিজেপি দ্বন্দ্ব চরমে,
বাংলাদেশে ১৯৭১-এর মত একটি অপারেশন না চালানো ও হাসিনাকে রক্ষার ব্যর্থতা নিয়ে
গৌতম দাস
০৯ এপ্রিল ২০২৫ দুপুর ০২ঃ ৩২
https://wp.me/p1sCvy-6oZ
শেষাদ্রি চারি [Seshadri Chari]
[আরএসএস-বিজেপি দ্বন্দ্ব এনিয়ে আপনাদেরকে আগে ফেসবুকে কিছু ধারণা দিয়েছিলাম। সেটা এখন আরো চরমে উঠেছে। বাংলাদেশের মোদির ইন্ডিয়া হাসিনার পতন ঠেকাতে পারে নাই এমনকি অজিত দোভাল ঠিকমত জানতেও পারে নাই। (আর আমরাও [মানে আমাদের জুনিয়র আর্মি অফিসার সদস্যরা] সেই কাজটাই ভালভাবে করেছিলাম যেন “র”-এই চিত্রটা আমল করতে ব্যর্থ হয়)। আর এতে সবমিলিয়ে হাসিনার উতখাত ও পরিণতিতে মোদির ভারত বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ হারানোতে – এই ইস্যুটাকে এখন বিজেপি সরকার ও মোদির ব্যর্থতা বলে অভিযোগ তুলেছে তাতে আরএসএস-বিজেপি দ্বন্দ্ব টা এক নয়া মাত্রায় চলে যেতে চাইছে। এরই প্রকাশ ঘটেছে আরএসএস নেতা শেষাদ্রি চারি নামের এক নেতা এসব নিয়ে খোলাখুলি দ্যা প্রিন্ট পত্রিকায় এক কলাম লিখেছেন সেখান থেকে এনিয়েই এই রচনা।]
সময়ে ভিডিও এর চেয়েও গদ্যে লিখলে কোন কোন ঘটনায় জমিয়ে আলাপ করা যায়। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও রেফারেন্সগুলো পাঠক নিজে দেখে শুনে আরো ফারদার উল্টে-পাল্টে দেখা যায় এমনকি কেউ কেউ যারা আরো গবেষণায় লিপ্ত হতে চায় তাদের কাজ সহজ হয়। তাই আজ প্রথমে এখন লিখে বলব। কিন্তু ইস্যুটা কী?
এককথায় ইস্যুটার শিরোনাম – “ইউনুস সাবের চীন সফরে” ভারতের জলুনি আর মোদিকে দোষী ঠাউরানোঃ
কিন্তু তবু এতে শিরোনামে বলা হয় নাই যে এখানে কর্তা কে? মানে –ইন্ডিয়ার জলুনির প্রকাশ আর মোদিকে দোষী বলে রায় দিল কে? তা বলা হয় নাই।
আর এটাই সবচেয়ে চমকানো তথ্য তা আপনাদেরকে বলব।
ইন্ডিয়ার জলুনি প্রকাশ আর মোদিকে দোষী বলে রায় দিল আরএসএসঃ
আরএসএস এর পক্ষ থেকে কে মোদিকে দোষী করল কীভাবে?
একাজ করেছেন শেষাদ্রী চারি [Seshadri Chari]। চারি ছিলেন আরএসএস এর এক দলীয় মুখপাত্র পত্রিকা আছে; প্রাচীন পত্রিকা নাম তার “অর্গানাইজার” (হিন্দিতে সংগঠক)। এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন চারি, এখন নাই। তিনিই প্রায়ই ইন্ডিয়ান (সম্ভবত সর্বশেষ নয়া) প্রভাবশালী ইংরাজী পত্রিকা দ্যা প্রিন্ট [The Print] ; এখানে অনিয়মিতভাবে কলাম লিখেন। সেটা অনেকটা পার্টি আরএসএসের অবস্থানই তা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার না করেই তিনি লিখে থাকেন। সবাই জানে ও মানে যে এটা আসলে চীনা সরকারী অবস্থানই কিন্তু স্বীকার না করে লেখা ও পরিচালিত চীনা ইংলিশ পত্রিকা [Global Times] যেন।
এই চারি এবার লিখেছেন যার শিরোনামঃ “Yunus just offered Indian Ocean to China. India must respond to the neighbour’s shenanigans” । বাংলাদেশে “ভিউ- খাওয়া” বা হাইপ তুলে লাইক খাওয়া যত দৈনিক আছে এরা কেউই এই লেখার মর্ম বুঝে নাই মনে হচ্ছে। তাই সম্ভবত তারা চারির এই লেখা আমল করে নাই। ওদিকে দ্যা প্রন্টের যে ফেসবুক পেজ আছে সেখানে এই লেখার একটা বাংলা অনুবাদ ছাপা হয়েছে পরেরদিন। সেটার লিঙ্ক এখানে দেখতে পারেন।
তবে চারির লেখা কলামের সারাংশ যা শিরোনামের নিচে লেখা থাকে সেটার অনুবাদ থেকে লেখাটার সারাংশ জানা যায়। সেটার বাংলা ভাব-অনুবাদ করে বললে হয়ঃ ইন্ডিয়ার “প্রতিবেশী সবার আগে” পলিসি মনে হচ্ছে পোতায় গিয়ে পথ হারিয়েছে আর এতে দেখা যাচ্ছে সবচেয়ে নিকট আর দুরের প্রতিবেশীরা চীনের দিকে হেলে পড়তেছে আর এতেই আঞ্চলিক ক্ষমতার ভারসাম্য এলোমেলো প্রভাবে”।
অর্থাৎ চারি বলতে চাইছেন মোদির অযোগ্যতাতেই ইন্ডিয়ার প্রতিবেশিরা চীন-অভিমুখি হয়ে ছুটছে। যেটা ইন্ডিয়ার দিক থেকে দেখলে আঞ্চলিক ক্ষমতা ভারসাম্য ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে আর চীনের পক্ষে চলে গেছে।
India’s ‘neighbourhod first’ policy seems to have gone awry
with most immediate and distant neighbours tilting toward
China, impacting the regional balance of power.
যার সোজা মানে হল, চারি বা চারির মুখ দিয়ে আরএসএস এবার বিজেপি-মোদিবিরোধী সংগ্রাম অনেক খোলাখুলি আর সামনাসামনি লড়তে চাইছে। এই সার বক্তব্যের একটা বাংলা পেয়েছে ফেসবুকে যেটা আরও মারাত্মক ভাষায়। হিন্দুত্ববাদী আক্রোশে ভর্তি হলেও যে কিছু করতে অক্ষম – এমন ভাষায় লেখা! নিচে দেখেনঃ
বাংলাদেশের অসহযোগী মনোভাব ও চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কথা বিবেচনা করে ভারতের উচিত বিমসটেক এর সদর দপ্তর ঢাকা থেকে স্থায়ীভাবে সরাতে। একটি চীন-পাকিস্তান-বাংলাদেশ অক্ষ অবশ্যই বিমসটেককে ধ্বংস করবে, যেমন পাকিস্তান-চীন অক্ষ দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা সমিতি (সার্ক) কে করেছিল।
ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতি মনে হচ্ছে সবচেয়ে তাৎক্ষণিক এবং দূরবর্তী প্রতিবেশীরা চীনের দিকে ঝুঁকে পড়েছে, যা ক্ষমতার আঞ্চলিক ভারসাম্যকে প্রভাবিত করছে। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান, হিন্দুদের বিরুদ্ধে একটি আন্দোলন এবং এখন ইউনূসের এই বিবৃতি সব সরকারের কাছে বিস্ময় হিসাবে এসেছে, একটি গোয়েন্দা ব্যর্থতার প্রস্তাব, অন্তত বলার জন্য। একটি কোর্স সংশোধন সময়মত হবে। একটি শক্তিশালী সামরিক, বিমানবাহিনী, নৌ ও অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে, ভারতকে পূর্ব ও পশ্চিমে প্রতিবেশীদের হিংস্রতার জবাব দিতে হবে, দ্রুত ও সিদ্ধান্তমূলকভাবে, এমনকি যদি এর মানে ১৯৭১-এর মতো একটি অপারেশন হয়। ‘
বিশেষ করে শেষ কয়েকটা শব্দ দেখেন; যেমন ……“এমনকি যদি এর মানে ১৯৭১-এর মতো একটি অপারেশন হয়”।
মানে হলো,
১। মোদির ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতি অকার্যকর হয়ে গেছে মোদির জন্যই।
২। আমরা ইন্ডিয়ার পাপেট হাসিনাকে উতখাত করেছি সেটা নয়, বরং ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতি ফেল করেছে বলেই আমরা বাংলাদেশ ইন্ডিয়া ফেলে চীন অভিমুখি হয়ে গেছি।
৩। আমাদের হাসিনা উতখাত এটা চারির চোখে নাকি একটা – “হিন্দুদের বিরুদ্ধে একটি আন্দোলন” । মনে হচ্ছে চারি লোকটা মাতাল হয়ে গেছে!
৪। হাসিনার উতখাত হয়ে যাওয়া আর সেটা মোদির অজিত দোভালের র-এর জানতেই না পারা এটাই চারির চোখে একটি গোয়েন্দা ব্যর্থতা আর এই অভিযোগ তুলের আরএসএস-বিজেপি দ্বন্দ্ব ও যুদ্ধ চরমে উঠেছে।
৫। এখন মোদি বা ইন্ডিয়া সরকারকে তাই বাংলাদেশের উপর আক্রমণ চালাতে হবে “১৯৭১-এর মতো একটি অপারেশন” যেন আমাদেরকে একটা উপযুক্ত জবাব দেয়া হয়……
আরএসএস মানে রাষ্ট্রীয় সমাজসেবক সংঘ; মানে মোদি যেই রাজনৈতিক দলের প্রধানমন্ত্রী সেই বিজেপি দলের উপরের মুরুব্বি সংগঠন হল এই আরএসএস! যার সভাপতি বা (হিন্দিতে) সর-সঞ্চালক হলেন মোহন ভগত! কিন্তু এমন বাপ-সন্তান সম্পর্ক সত্বেও আরএসএস-বিজেপি এর দ্বন্দ্ব এখন চরমে শুধু নয় এটা এখন প্রকাশ্যেই। পাঠকের নিশ্চয় মনে আছে পাঁচদিন আগে আরএসএস-বিজেপি এর দ্বন্দ্ব মারাত্মকভাবে প্রকাশিত হয়ে পড়েছিল যখন জানা গেল যে মোদি ৭৫ বছর বয়স পুর্ণ হয়ে যাবার কারণে (মোদির নিজেরই প্রচলন করা নিয়মে) এবার তা মোদির উপরে আরোপিত হচ্ছে আর তিনি সেটা কবুল করতে আরএসএস এর হেডকোয়ার্টার সফরে গিয়ে তিনিই পদত্যাগ ও অবসরে যাচ্ছেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছেন। এই খবর সারা ইন্ডিয়াতে ছড়িয়ে পড়াতে তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে।
আর এর পিছনের কথাগুলো, সংক্ষেপে বললে গত ২০২৪ এপ্রিল-মে এর কেন্দ্রের নির্বাচন আয়োজনকালে আরএসএস-বিজেপি এর দ্বন্দ্ব প্রথম ব্যাপকভাবে গুমড়ে উঠেছিল। কারণ, সবার খেয়াল ও নজরে ছিল যে সেবারের (২০২৪) নির্বাচন শেষে বছর গড়াতেই মোদিকে অবসরে যেতে হবে তাই উত্তরসুরি কে হবেন – সেটাই দুপক্ষের মাথাতেই প্রধান ইস্যুতে ঘুরপাক খাচ্ছিল। এক্ষেত্রে মোদির পছন্দ হল অমিত শাহ (বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এক ঠান্ডামাথার খুনী), আর এর বিপরীতে আরএসএসের পছন্দের প্রার্থী হল বর্তমান উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ যোগী (সংক্ষেপে যোগী যিনি চরম মুসলমানবিদ্বেষী ও মুসলমান নিপীড়ক)। ইন্ডিয়ার কেন্দ্রিয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫৪৩ আসনের মধ্যে একা উত্তরপ্রদেশেই ৮০টা আসন; ফলে উত্তরপ্রদেশ খুবই গুরুত্বপুর্ণ। অথচ আগের নির্বাচনের হিসাবে ৭০ এরও বেশি আসন দখলে থাকা বিজেপির ২০২৪ নির্বাচনে সেটা নেমে এসেছিল ৩৩ আসনে। যার পিছনের মূল কারণ উত্তরসুরি কে? অমিত শাহ না যোগী? – এই প্রশ্নে আরএসএস-বিজেপি এর দ্বন্দ্ব চরমে উঠেছিল। এতে এক পর্যায়ে প্রতিটা নির্বাচনে কার অবদান বেশী – আরএসএস না বিজেপির – তা এমন তর্কে গিয়ে ঠেকেছিল আর সেখান থেকেই আরএসএস এর কোন ধরনের সমর্থন ও প্রভাব ছাড়াই সেবার (২০২৪) এর লোকসভা নির্বাচন বিজেপি একাই লড়ে দেখিয়ে দিবে তারা (মানে আরএসএস ছাড়াই বিজেপি) একাই যথেষ্ট – এই কথাটাই ফাইনাল অবস্থান হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। আর পরের (২০২৪) নির্বাচনে আরএসএস একেবারেই নিজেদের প্রত্যাহার করে রেখেছিল, কোথাও অংশ নেয় নাই। [আর এরই বাংলাদেশে প্রতিক্রিয়া ছিল গোবিন্দ প্রামাণিক (যিনি আরএসএসের লোক) আর বিপরীতে রানা দাসগুপ্ত (যিনি মোদি / বিজেপির লোক) এদুজনের আলাদা আলাদা বক্তব্য। গোবিন্দের দাবি ৫ আগষ্টে হাসিনার পলায়নের পরে বাংলাদেশে কোন হিন্দু নির্যাতন ঘটেই নাই; যতটুকু যা হয়েছে তা এরা হাসিনার সঙ্গী প্রকল্পের অর্থ চোর সেও আওয়ামি পরিচয়ের কারণে। আর রানা দাসগুপ্ত মোদির সাথে সুর মিলিয়ে বক্তব্য দেওয়ার পর সেই থেকে দেশ ছাড়া আর নয়তো গভীর আত্মগোপনে।] আর ওদিকে ইন্ডিয়াতে ঐ আরএসএস-বিজেপি দ্বন্দ্ব থেকেই ২০২৪ নির্বাচনে বিজেপি জোট হারতে হারতে বেঁচে গিয়েছিল। বিজেপি দল একা সরকার গঠনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা তো পায়ই নাই এমনকি বিজেপি জোট হিসাবে পায় নাই, প্রায় ৩০ আসনের ঘাটতি ছিল। যেটা আরো দুই নগদ পার্টনার দল যোগাড় / কেনাবেচা করে বিজেপি সেই ঐ ঘাটতি পুরণের পরে মোদি আবার তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হয়ে এখনও সরকার গড়ে আছেন।
কিন্তু সেই থেকে আরএসএস-বিজেপি দ্বন্দ্ব বাড়ছে তো বাড়ছেই।
এখান থেকে আমার বলার মূলকথাগুলো কীঃ
১। শেষাদ্রি চারি এর এই লেখা হল প্রমাণ যে আরএসএস-বিজেপি দ্বন্দ্ব এমন মারাত্মক জায়গায় চলে গেছে যে এটাই শেষে সম্ভবত ইন্ডিয়াকে ছিন্নভিন্ন করে না ফেলে থামবে না।
যার সোজা মানে হল, খুব সম্ভবত না বিজেপি না আরএসএস আগামি ইন্ডিয়ান সরকার গড়ার ক্ষেত্রে কোন রাজনৈতিক শক্তি হয়ে থাকতে ব্যার্থ হচ্ছে। এরই সোজা মানে কোন কোয়ালিশন সরকার হয়েও একটা ঠালমাটাল সরকার গড়াই দিন ইন্ডিয়ায় শেষ হয়ে যাবে। যেটা সেই ১৯৯৯ সালের বিজেপির বাজপেয়ির সরকার থেকে কোয়ালিশন সরকারের কালচার গড়ে এতদিন সরকার চলেছে – সেই যুগের সম্ভবত অবসান ঘটতে যাচ্ছে। এটাকে অন্য ভাষায় বলছি ডিস-ইন্টিগ্রেশন বা ভেঙ্গেচুড়ে ফেলা যা নুন্যতম রাজনৈতিক ঐক্য অসম্ভব এমন এই ইন্ডিয়া হয়ে হাজির হওয়া এটা আসন্ন হয়ে উঠার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
২। আরএসএস-বিজেপি দ্বন্দ্ব আজ এমন জায়গায় যে গত দশ-বারো বছর কে কী অপরাধ করেছিল আর একে অপরের সেসব অপরাধ লুকায়ে রেখে দিয়েছিল সেগুলো এখন প্রকাশ করে দিবার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ২০১৫ সালে ঢাকার ইন্ডিয়ান এমবেসিতে এক নারী রেপড ও খুন হয়েছিল এর ইতিহাস বলার এই ভিডিও এখন এভেলএবল হয়েছে।
৩। মোদির ইন্ডিয়ার সবচেয়ে বড় কুখ্যাতি হল ইসরায়েল রাষ্ট্রের সাথে তার খাতিরদারি – দুই খুনী দানব পরস্পরের খোলাখুলি সঙ্গী। এনিয়ে আলজাজিরাতে প্রকাশিত রিপোর্ট দেখেন যেখানে প্রকাশিত কোন কোন ইন্ডিয়ান অস্ত্র গাজায় নেতানেহায়ু ব্যবহার করেছেন – শিরোনাম দেখেন বুঝবেন – “India exports rockets, explosives to Israel amid Gaza war, documents reveal“. আমার অনুমান আরএসএস-বিজেপি দ্বন্দ্ব এর সুযোগে এসব এখন বাইরে সহজেই ন্যাঙ্গটা হয়ে যাচ্ছে। যেগুলো আরো বেশি করে আমাদের প্রচারে নেয়া উচিত।
৪। আরএসএস নেতা শেষাদ্রি ইন্ডিয়ান সরকার যেন বাংলাদেশের উপর ১৯৭১ সালের মত আক্রমণ চালায় – এটা দাবি করেছেন। এনিয়ে আমার ছোট কথা হল আমরাও প্রস্তুত। সময়ে ছোট দেশও ইন্ডিয়ার কী ক্ষতি করে ফেলতে পারে দুনিয়া সেই উদাহরণ তাহলে এবার দেখবে! এটা ঘটলে তা আমাদের জন্য অনেক সুবিধাই নিয়ে আসবে। তাই আমরা এটা দেখতে চাই!!! নুন্যতম কোন ভারতীয় জেনারেলের সাথে আলাপের পরে যেন আরএসএস নেতারা এমন বকোওয়াজ করে; শেষে এই পরামর্শ রাখব।
লেখকঃ
গৌতম দাস
রাজনৈতিক বিশ্লেষক
goutamdas1958@hotmail.com
আপডেটঃ দুপুর ০২ঃ ৫৯, ০৯ এপ্রিল ২০২৫
সবশেষ আপডেটঃ বিকাল ০৫ঃ ১৪, ০৯ এপ্রিল ২০২৫


ইন্ডিয়ান এম্বাসির রেইপ ঘটনার প্রকাশ তাহলে আর এস এস বিজেপির দ্বন্দের বহিঃপ্রকাশ?
LikeLike
মনে হয় না। রেপ সংক্রান্ত অভিযোগটা তো অনেক আগের!
LikeLike