আজকের দিনটা দাগিয়ে রাখার মত রিমার্কেবল হয়ে থাকল!
“তারেক ক্ষমতায় থাকলেও মূল ক্ষমতা আমার হাতেই থাকবে” – সেদিন কী এসে গেল?
গৌতম দাস
২৯ জুলাই ২০২৬
https://wp.me/p1sCvy-6AO
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, খলিলুর রহমান ও সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস
আজকের দিনটা দাগিয়ে রাখার মত রিমার্কেবল হয়ে থাকল! যদিও বেশিরভাগ জনেরই এটা ত ঠাহরের বাইরে এখনও।
কিন্তু হলটা কী, হয়েছে টা কী? তা অনেকভাবেই বলা যায়! যেমন বললাম, তারেক রহমানের ন্যানি বদল হয়ে গেছে তিনি জানেন না। ‘ন্যানি’ মানে জানেন নিশ্চয়। অবস্থাপন্ন লোকেদের স্ত্রীদের নিজহাতে কোলে করে বাচ্চা মানুষ করতেই হয় না। যার কোলে (সে বেতনভুক এক নানি যেন এমন সহকারি; বাচ্চা পালাই তার কাজ) ওর দেখভালেই বড় হয় বাচ্চা আর সেই-ই ন্যানি। অনেকসময় তাই বাচ্চা বড় হয়ে গেলেও ন্যানির সাথে তার এটাচমেন্ট অনেকদিন বেশি ঘনিষ্টই থেকে যায়। আর আসল মা? সে তো নিজ শরীর আকৃতি ঠিক রাখার জন্য বুকের দুধটাও ঠিকমত খাওয়াতে চায় না। যত কম করে চালানো যায় এভাবেই পার করে দেয় প্রথম দুবছরটা।
ওদিকে তারেকের দিক থেকে দেখলে, রাজনীতি কী? জিনিষটা ঠিক আসলে কী? কিভাবে তা জানতে বা এর কোন ট্রেনিং, পড়াশুনা ওরিয়েন্টেশন কখনই তারেকের নেয়ার সুযোগ হয় নাই। জন্মগত ভাবেই সে নেতা এসব না জানা, না কোন অভিজ্ঞতা থাকলেও। কাজেই একটা “রাজনৈতিক ন্যানি” তো মাস্ট তাঁর লাগতই। কিন্তু প্রবলেম আরো একটা। ১৭ বছর সে বিদেশে যে সময়টাতে সে তার পরিণত বয়সটা পার করেছে তাই ততদিনে জেনে ফেলার বয়স তখনও অনেক কিছুই। বিশেষ করে রাজনীতিটা। অথচ তাঁর আশেপাশে কেউ নাই, ছিল না। যে তাঁকে সাহায্য করবে! তাই হাসিনা-উত্তর দেশে ফিরে কে তাঁকে নেতৃত্ব মানে একেবারে সরকারের ক্ষমতা বসতে তৈরি জায়গা করে দিবে সেটাই ছিল বিশাল এক বিশাল সমস্যা। আর ঠিক এটারই অফার তাঁর মুখের সামনে নিয়ে এসে তুলে ধরেছিলেন খলিলের মাধ্যমে ইউনুস!
সেই অর্থে ইউনুস হয়ে যায় তারেক রহমানের ন্যানি!
পরবর্তিকালের কিছু ঘটনা দেখে অনুমান হয় তারেক সম্ভবত ভেবেছিল আগে রাজা হয়ে তো নেই পরে ন্যানিকে না হয় কিছু “অবসরভাতা’ দিয়ে বিদায় করে দিব!!!
তারেকের সেই থেকে যে একেবারেই কাঁচা নবিশ আর বিপরীতে ন্যানি ইউনুস যে আমেরিকার ‘ডেমোক্রাট থিঙ্ক ট্যাঙ্ক’ আর সোরেস ফাউন্ডেশন থেকে ট্রেইনড তা মনে হচ্ছে তারেকের ধারণাতেই ছিল না। আজকে তাই সকাল থেকেই (যা কয়েকদিন থেকেই অনুমিত হচ্ছিল) মানে দৃশ্যপটে খলিলুর রহমানের আগমন হওয়া থেকে পুরা পরিস্থিতি এখন খলিল-ইউনুসের হাতের মুঠোয় চলে গেল অনুমান হচ্ছে। এমনকি মোদি (বা তার বাইরের ছবি ঢাকার হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদি) এদের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে সব হারিয়ে মোদিও এই প্রথম ইউনুস-খলিলের পোষাকের আঁচল ধরে হাটা শুরু করেছে; আর উপায়ন্ত সব হারিয়ে এতেই এরা মহা খুশি!
ত্রিবেদি প্রায় মাস খানেক ঢাকায় এসে থাকছেন তবু আজই প্রথম আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খলিলের সাথে বিশেষ মোলাকাত করে সে আহ্লাদিত তা জানিয়েছে। মানে যেন আর তারেক কী সিদ্ধান্ত দেয় এই দুশ্চিন্তায় থাকতে হবে না; এখন আসল লোক খলিলকেই পাওয়া গেছে তাই আহ্লাদ হয়েছে!
ইউনুস সাব আনুষ্ঠানিক সরকারের ক্ষমতা ছেড়েছেন ১৭ ফেব্রু. ২০২৬। এর অন্তত তিনমাস আগে থেকেই তিনি যাকেই তার ঘনিষ্ঠ মনে করেছেন, সামরিক-বেসামরিক সবাইকেই তিনি জানিয়ে গেছেন অবলীলায় যে তারেক ক্ষমতায় এলেও আসল ক্ষমতা আগের মতই তাঁর হাতেই থাকছে। এমনকি একথাগুলো বিশ্বাস করানোর জন্য তিনি এতই কসরত করেন গেছেন যে এর বিস্তারিত বলাটাও বিপদজনক; বিচার বিভাগই ভেঙ্গে পড়তে পারে এমন! আমি এদের অনেককেই দেখেছি পরের অন্তত তিন-চার মাস পর্যন্ত তারা যে এটা বিশ্বাস করছেন, তখনও করেন সেটাও তখনও তা আমাকে জানিয়েছেন।
তাই আজকেরদিনের পরে এমন সকলেই এখন ইউনুস-কে কুর্ণীশ করতে চাইবেন; হয়ত এতা ভাববেন যে হুজুরে-ওয়ালা এবার ঠিকই এসে নাজিল হয়েগেছেন!
তাহলে আজকের ঘটনাটা ঠিক কী ঘটেছেঃ
গত প্রায় মাসখানেক ধরেই আমি কামান দাগছিলাম “ভারসাম্য” শব্দটার উপর। ইংরাজিতে যা ব্যালেন্স – এই সম্পর্ক এই কথাটার উপরে। আমি অনুম,আন করেছিলাম তাই বলছিলাম – খলিল-ইউনুস এখন আবার দাবি করবে তারা বাংলাদেশের জন্য এক ভারসাম্যপুর্ণ সম্পর্কের পক্ষে আছেন কাজ করছেন। সুশীলভাবে বলবেন হা চীনকেও দরকার কিন্তু পাশাপাশি আমেরিকার সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক রাখতে হবে এজন্যই তারা আমেরিকার জন্য কাজ করতেছেন।
আমার সেই অনুমানই সঠিক হয়েছে।
খলিলুর রহমান বলেছেন, “একজনের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষতি করে আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধি করছে—আমরা কখনও সেটা করবো না। সব দেশের সঙ্গে স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখে আমরা সম্পর্ক বৃদ্ধির চেষ্টা করেছি।” একই সঙ্গে তিনি বলেন, “এটা তো স্ত্রী ও সতিনের মধ্যে মারামারি নয়। এটা হচ্ছে স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক, যেখানে আমাদের স্বার্থ, আমরা সেখানে যাবো।” – বাংলা ট্রিবিউন ২৯ জূলাই’২৬
“কূটনীতিতে আমরা আন্দাজে কাজ করি না। আমরা বাস্তবতার ভিত্তিতে কাজ করি—এটা মনে রাখবেন। কারও সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন মানে এই নয় যে আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হচ্ছে। চীনে আমাদের অত্যন্ত ভালো সফর হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ভারতে আমাদের প্রধানমন্ত্রী যান, ভালো। আমরা আশা করবো সেই সফরটিও অত্যন্ত ভালো হোক।” – বাংলা ট্রিবিউন ২৯ জূলাই’২৬
“এই যে মার্কিন দূত আসবেন, আমার সঙ্গে সেক্রেটারি অব স্টেটের (Marco Rubio) দেখা হয়েছে। এই ইন্টারেকশনগুলোর মাধ্যমে আমরা সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চাচ্ছি। বাংলাদেশের সঙ্গে তো একটা দেশের না, বহু দেশের সম্পর্ক আছে। এটা তো স্ত্রী এবং সতিনের মধ্যে মারামারি নয়। এটা হচ্ছে স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক, যেখানে আমাদের স্বার্থ আমরা সেখানে যাবো।” মার্কিন দূতের আগমন ঘিরে কোন চাপ অনুভব করছেন কিনা—এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা কোনও চাপ অনুভব করছি না।” – উপরের লিঙ্কটাই
মিডিয়া রিপোর্ট বলছে খলিল গতকালই আমেরিকা, ফিলিপাইন ও মালদ্বীপ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন। আর সকাল থেকে পরিকল্পিতভাবে কাজ শুরু করেছেন।
আমি আগে যেটা বলছিলাম ভারসাম্য কথাটার মূল অর্থকে বদলে দিয়ে এই শব্দটাকে টুইস্ট করে নতুন অর্থদান করবেন ইউনুস-খলিল। ঠিক সেটাই হয়েছে। খলিল বলছেন, একজনের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষতি করে আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধি করছে—আমরা কখনও সেটা করবো না।
আসলে এটাই তো ওবামা আমল (২০১৬) থেকে চালু আমেরিকা ফরেন পলিসি। যার সারকথা হল, বাংলাদেশের মত দেশ চীনের সাথে (কমসুদের অবকাঠামো) ঋণসহ অন্যান্য সব বাণিজ্যিক সম্পর্কও আর রাখতে পারবে না। রাখতে সব ধরণের বাধা দেয়া হবে। এটাই কালক্রমে শেষে গুছিয়ে নামকরণ কর হয় ইন্দো-প্যাসেফিক পলিসি / স্ট্রাটেজি [IPS]। যেটা এবার ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পরই (ট্রাম্পের প্রথমবারে (২০১৭-২০) তিনি IPS পলিসি অনুসরণ করা সত্বেও এবার তা নয় বরং ) এতে গুরুত্ব না দিয়ে যা ইচ্ছা শুল্ক আরোপে মেতেছেন।
এখন এই অবস্থায় চীনও তাই একই পলিসিতে তার কাছে কেউ (যেমন বাংলাদেশ) সম্পর্ক করতে গেলে আগে চেক করে যে আমেরিকার সাথে সেই দেশের সম্পর্ক হাল্কা বা দুর্বল আগে হয়ে আছে বা করেছে কিনা। যদি না করে তাহলে চীনও অর্থ ছাড় করার সময় এলেই শ্লথ – ধীরে অগ্রসব হওয়া শুরু করে দেয়। এছাড়া আগেই ব্রিকস, আশিয়ান, RCEP, SCO ইত্যাদি গ্রুপের সদস্য হয়ে আসতে বলে। কারণ চীন জানে এসব সদস্য হওয়া আমেরিকার না পছন্দ!
তাহলে এই বাস্তবতায় ভারসাম্য কথার কী কোন ব্যবহারিক অর্থ আর থাকে? এককথায় আমেরিকার (খলিল-ইউনুসের) হাত না ছাড়লে চীন সে দেশের সাথে সম্পর্কের সিরিয়াস স্তরের ভিতরে প্রবেশই করবে না। এটাই আরো উতসাহ ভরে চীন যেন সম্পর্কটাই না হয় সেটা করাই চীনের নীতি হলেও – ইউনুসের বেলায় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে বাইডেনের সাথে সাক্ষাতের সফরের আগে ইউনুসকে পই পই করে বলে দেয়া হয়েছিল। অথচ তিনি শুরু আমেরিকাকেই কী কী ব্যবসা দেয়া যায় সেই সম্পর্ক অগ্রসর করে এসেছিলেন। পিটার হাস সরকারি চাকরি ছেড়ে কোম্পানির একজিকিউটিভ হয়ে আসেন সেজন্যই। তবু চীন বাজেট সহায়তা দিয়েছিল বলে ২০২৫ সালের বাজেট দিতে পেরেছিলেন ইউনুস। অথচ নিজ বেইমানি চালিয়ে গেছেন – আমেরিকার পক্ষ নিয়ে নিজ আমেরিকান পাওয়ার লবি শক্ত করেছেন আর বাংলাদেশের সাথে বেইমানি করেছেন।
এককথায় বললে আমেরিকার IPS পলিসি মানেই চীনের সাথে সম্পর্ক করতে যেন না পারি আমরা। অথচ ভারসাম্যের কথা তুলে মিথ্যা বলছেন খলিলুর। চালায় দিতে চাইছেন যে উনারা নাকি ভারসাম্য করতেছেন তাই আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষতি করে আরেকজনের মানে চীনের সাথে সম্পর্ক করবেন না।
এছাড়াও এবার আরো একটা এডিশন বা নতুন যোগ আছে। দিনকে দিন মোদি টের পেয়েছেন তারেক তার সাথে ডিল করবে না। তাই উপায় না পেয়ে মোদি এখন ইউনুস-খলিলের নৌকায় উঠেছেন। তাই খলিলুর বলছেন, ভবিষ্যতে যদি ভারতে আমাদের প্রধানমন্ত্রী যান, ভালো। আমরা আশা করবো সেই সফরটিও অত্যন্ত ভালো হোক। অর্থাৎ তিনি ইতোমধ্যে তারেককে মোদি সফরে যেতে উস্কায়ে এসেছেন। আর তাতে দীনেশ ত্রীবেদি এতই খুশি হয়েছেন যে আজ খলিলের সাথে প্রথমবার পররাষ্ট্র গিয়ে মুলাকাত-ই করে এসেছেন।
যার মানে হল, আমেরিকা তো তারেকের কান্ধে উঠছেই মানে খলিল তুলে দিলেন সাথে ফেউ হিসাবে ইন্ডিয়াকেও তারেকের কান্ধে! অথচ কেউ খেয়াল করছেন না, এতদিন “আপা ফিরতেছে”-ওয়ালারা মোদির উপর আর ভরসা রাখতে পারছিলেন না; হতাশ হয়ে গেছিলেন। এর অর্থ এখন আজ খলিলের বাণী শুনে আবার লীগের চাপও এখন তারেককে মোকাবিলা করতে হবে।
সবশেষে আরেকটা দিক দেখাবো। ইউনুস তারেকের উপর সৃষ্টি করার বা করতে কিছু বাদ রাখেন নাই। আর সেজন্যই কী হবিগঞ্জের এনসিপি-বিএনপির মুখোমুখি হয়ে যাওয়াটা এর প্রমাণ! মানে ইউনুস এনসিপি কেও রেডি করে তারেকের উপরে চাপ দিয়েছেন? তাঁর কথা না শুনলে কী হবে সেই হুশিয়ারি ছিল কী এটা?
তাহলে তারেক এখন ভিজা বিড়ালের মত যদি ইউনুস-খলিলের অনুগত হয়ে কোন মতে সবার আগে জিন ক্ষমতা বাচানোতে সব মনোযোগ ঢেলে থাকেন তাহলে এখন আমরা কী দেখব? আমাদের কী হবে?
১। ইউনুস যেকথা ক্ষমতা ছাড়ার তিন মাসের আগে থেকে বলে আসছিলেন যে তারেক প্রধানমন্ত্রী হলেও আসল ক্ষমতা তার হাতেই থাকবে আগের মত সেটাই কী আমরা এখন দেখব?
২। অনুমান করা যাক এখান থেকেই চীনের সাথে সম্পর্ক যতটা আগায়ছিল তা এখন থেকেই ফুলষ্টপ হয়ে যাবে। মানে আমরা চীনবিরোধী আমেরিকান নীতি-পলিসির অনুগামি হব?
৩।। সেটা যদি হয়ও কিন্তু আমাদের বাজেটে অর্থ “বাজেট সহায়তা” কই পাবো? অর্থ নাই মানে অর্থনীতিও তলানীতে শেষ হবে। IMF এর প্রতিশ্রুত সংস্কার নিজ বাজেটে অর্থ না থাকলে সংস্কার বলে বাস্তবে কিছু কী করা যাবে? মুদ্রস্ফীতি হবার সম্ভাবনা বড় রকমের; ত কোথায় যাব আমরা তখন? আর কোন বিদেশি বিনিয়োগও তো আসবে না।
৪। আজকেই নিউজ হল, যেটুকু প্রাইভেট বিনিয়োগ এসেছে এর ৯২% হল চীনা মালিকদের। তাহলে চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঝুঁকে গেছে বা নাই হয়ে গেলে কী এরা থাকবে?
সারকথায় ইউনুস-খলিল খুশি হবে, নিজেদের বিজয় দেখতে পাবে কিন্তু খোদ বাংলাদেশ অর্থনীতি ভেঙে পড়বে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা, সহিংসতায় সব শেষ হবে।।
এনসিপি ১১ দলকে যে ইউনুসে সাথে রেখেছেন তাতে ক্ষমতায় কে থাকবে? হাসিনার জাতীয়পার্টি ফর্রমুলাও যদি চিন্তা করি সেটা কী ইউনুসেরা খাড়া করতে সক্ষম হবে? জাতীয় পার্টিটা কে হবে? পুরাই ১১ দল? মানে হাসিনার মতই সব নির্বাচন হবে! তাই কী?
সবার উপরে অর্থনীতিই যদি না থাকে রাজনীতিসহ কোন কিছুই কী আর দেশে করা যাবে? এসব জবাব কার কাছে চাইব??
_
গৌতম দাস
রাজনৈতিক বিশ্লেষক
২৯ জুলাই ২০২৬ রাত ১১ঃ৩০
আপডেটঃ ৩০ জুলাই ২০২৬, ০০ঃ ৪২ এএম

